ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ , ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় ১২ বার ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন ভ্যান্স

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ১৩-০৪-২০২৬ ০২:১২:০১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৪-২০২৬ ০২:১২:০১ অপরাহ্ন
​যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় ১২ বার ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন ভ্যান্স ভ্যান্স



এবার ইসলামাবাদে চলা ২১ ঘণ্টার বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অন্তত ডজনখানেকবার ফোন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এসময় সিদ্ধান্ত নিতে আরও কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন প্রতিনিধি দল। তবে এসব আলোচনায় ফল হয়নি। এনডিটিভির খবর। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত তথা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিরতির আলোচনাও থেমেছে সিদ্ধান্ত ছাড়াই। গত শনিবার প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলা এই শান্তি আলোচনা ফলহীনভাবে শেষ হয় বলে জানান ভ্যান্স। 

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলছিলাম। ঠিক কতবার কথা হয়েছে জানি না—গত ২১ ঘণ্টায় হয়তো অর্ধডজন বা এক ডজনবার।’ ভ্যান্স আরও জানান, প্রতিনিধি দলটি অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় যোগাযোগে ছিলাম, কারণ আমরা সৎভাবে আলোচনা করছিলাম। আমরা এখান থেকে একটি চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব নিয়ে ফিরছি।’


কেন ভেঙে গেলো আলোচনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানালেও ভ্যান্স জানান, মূল বিরোধের বিষয় ছিল পারমাণবিক অস্ত্র। তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতাও অর্জন করবে না, যা দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে।’

তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘মূল লক্ষ্য’ বলে উল্লেখ করে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে ইরানের কাছ থেকে এই প্রতিশ্রুতি চাইলেও এখনো তা পায়নি। তবে আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে তা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে, ইরান এই অচলাবস্থার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক’ দাবিকে দায়ী করেছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, ‘ইরানের প্রতিনিধি দল ২১ ঘণ্টা ধরে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় নিবিড়ভাবে আলোচনা করেছে। কিন্তু মার্কিন পক্ষের অযৌক্তিক দাবির কারণে কোনো অগ্রগতি হয়নি এবং আলোচনা শেষ হয়ে যায়।’

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ

ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’